মনজু হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার :: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা ভুমি অফিসের গাড়ি চালক সোহেলকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও)মো: রবিউল ইসলাম তার ব্যক্তিগত গাড়িতে খাটানোর অভিযোগ উঠেছে।এছাড়াও ২০২৩ সাল থেকে গাড়িটি ফিটনেস ও ২০২২ সাল থেকে টেক্সটোকেন না থাকলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে চালানো হচ্ছে গাড়িটি। এ নিয়ে উপজেলা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।যদিও এ বিষয়ে কোন সাড়া দেয়নি উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
স্থানীয়রা বলেছেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছ থেকে জনসেবার মান উন্নয়ন ও দায়বদ্ধতা প্রত্যাশিত। অথচ তার দম্ভ, অবহেলা ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি গাড়ি চালক দিয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি চালানোয় চরম অনিয়মের উদাহরণ। দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
জানা যায়,বোদা উপজেলা পরিষদে তিনজন গাড়ি চালক রয়েছে।তার মধ্যে একজন রাজস্ব ও দুইজন আউটসোর্সিং থেকে বেতনভুক্ত।চেয়ারম্যান, ইউএনও ও সহকারি কমিশনারের (ভূমি) গাড়ি চালাবেন তারা।
সূত্র জানায়,সরকারি মালিকানা ব্রাম্মণবাড়িয়া ঘ-১১-০০২১ লাল রংয়ের মিতসুবিশি কোম্পানির গাড়িটি বোদা উপজেলা ভূমি অফিসের গাড়ি চালক সোহেল, ইউএনওর স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া আসা করেন।সম্প্রতি পঞ্চগড় পৌর শহরের চৌরঙ্গিমোড় আল বাঈক ফুডের সামনে সন্ধ্যায় দেখা মিলে গাড়িসহ সোহেল নামের ভুমি অফিসের চালককে।গাড়িতে বোদা ইউএনও’র স্ত্রী সন্তানসহ তাদের আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন।
গাড়ি বিষয়ে চালক সোহেল কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।তবে ইউএনও যোগদানের সময়ে গাড়িটি নিয়ে আসার কথা জানান তিনি।
বোদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রবিউল ইসলামের সরকারি নম্বরে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য,৩৫ তম বিসিএস ক্যাডার মো.রবিউল ইসলাম বোদা ইউএনও হিসেবে যোগদানের পর থেকেই একের পর এক অসন্তোষের জন্ম দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম দুর্নীতি
বিষয়ে সম্প্রতি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যা সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।
Leave a Reply